বাংলাদেশে ডেইরি সেক্টর দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
ডেইরী খামারের কিছু তথ্য :
বাংলাদেশের ডেইরী খামার খাত কেবল কৃষি নয়, এটি প্রায় ১ কোটি ৪৮ লাখ মানুষের জীবিকা এবং দেশের মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) ২.৪৭ বিলিয়ন ডলারের বেশি অবদান রাখা একটি শক্তি . নিচে বর্তমান তথ্য-উপাত্ত ও চিত্রসংখ্যার ভিত্তিতে বিস্তারিত বিবরণ দেওয়া হলো:
📊 সেক্টর ওভারভিউ (সামগ্রিক চিত্র)
· মোট ডেইরী ফার্ম: প্রায় ১৪.৮ লাখ (ছোট ও বড় মিলিয়ে) .
· দুধ উৎপাদন: বার্ষিক ৯৪ লাখ টন (সরকারি হিসেবে) থেকে ১.৩-১.৫ কোটি টন (বেসরকারি অনুমান) .
· দুগ্ধবতী পশু: প্রায় ২.৪৫ কোটি (গবাদি পশু) + ১৫ লাখ (মহিষ) .
· মাথাপিছু مصرف: WHO এর সুপারিশের চেয়ে এখনও অনেক কম; চাহিদার তুলনায় উৎপাদন অপ্রতুল .
🥛 বাজার ও প্রক্রিয়াজাতকরণ
· অপ্রক্রিয়াজাত বাজার: ৯১% দুধ এখনও অনানুষ্ঠানিক খাতে (খোলা দুধ/তরী) বিক্রি হয়। মান নিয়ন্ত্রণ ও ন্যায্যমূল্যের বড় প্রতিবন্ধকতা এটি .
· প্রক্রিয়াজাতকরণ: মাত্র ৯% দুধ প্রক্রিয়াজাত হয় (পাস্তুরিত দুধ, দই, ঘি, মিষ্টি, পনির) .
· অপচয়: পর্যাপ্ত সংরক্ষণাগারের অভাবে ২০% এর বেশি দুধ নষ্ট হয় .
· বাণিজ্য: বার্ষিক ১ লাখ টন দুগ্ধপণ্য আমদানি (, অস্ট্রেলিয়া, ইইউ) এবং ৫০ হাজার টন রপ্তানি (ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর) .
🏭 শীর্ষ ব্র্যান্ড ও খামার
· প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠান: মিল্ক ভিটা, আড়ং, প্রাণ ডেইরি, ইগলু, আকিজ ফুড, ফ্রেশ ডেইরি .
· উল্লেখযোগ্য খামার: আফতাব ডেইরি ফার্ম, মোল্লা ডেইরি ফার্ম, মেহমুদ ডেইরি ফার্ম .
· সম্প্রতি ঘটনা: নেসলে-আড়ং কৌশলগত জোট; মেঘনা ডেইরি গ্রিন কাউ ডেইরি কিনেছে .
🐃 মহিষের খামার: বিশেষ সম্ভাবনা
· অবস্থান: ভোলা, নোয়াখালী, কক্সবাজার, বরিশাল, হাওর অঞ্চল – যেখানে চারণভূমি লবণাক্ত বা বন্যাপ্লাবিত .
· প্রজাতি: দেশি (আদিবাসী), মুরাহ, নিলি রাভি ক্রস .
· সমস্যা: জাত উন্নয়নের অভাব, নিম্ন দুধ উৎপাদন, নীতিসহায়তার অভাব .
📉 চ্যালেঞ্জ ও বাধা
- উৎপাদনশীলতা: প্রতি গরুতে দুধের গড় ফলন আন্তর্জাতিক মানের তুলনায় কম .
- বাজার প্রবেশাধিকার: সড়ক অবকাঠামো না থাকায় বাণিজ্যিক সংস্থায় (CDM) দুধ দিতে পারেন না খামারিরা; স্থানীয় হাটবাজার (TDM) নিকটস্থ বলে সেখানেই বিক্রি .
- খাদ্য নিরাপত্তা: প্রশিক্ষণের অভাব ও ব্যয় সংকুলানের অভাবে খামারিরা স্বাস্থ্যসম্মত পদ্ধতি অনুসরণ করতে পারেন না .
- পশুখাদ্য: ভালো মানের খাদ্যের উচ্চমূল্য ও সংকট .
💡 সম্ভাবনা ও ভবিষ্যৎ
· নতুন বোর্ড: ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশ ডেইরী ডেভেলপমেন্ট বোর্ড গঠিত হয়েছে। এটি মান নিয়ন্ত্রণ ও বাজার ব্যবস্থাপনায় বড় ভূমিকা রাখবে .
· টেকসই উদ্যোগ: গ্রীন ডেইরী পার্টনারশিপ (ডেনমার্ক সমর্থিত)। লক্ষ্য: ২০২৮ সালের মধ্যে উৎপাদনশীলতা ও কৃষকের আয় ৩০% বৃদ্ধি এবং গ্রিনহাউস গ্যাস ৩০% কমানো .
· মিনি ডেইরী প্ল্যান্ট: ছোট উদ্যোক্তাদের জন্য স্বর্ণযুগ। ৫০-৭০ লাখ টাকা বিনিয়োগে ১০০০ লিটার/দিন ধারণক্ষমতার প্ল্যান্ট বসিয়ে মাসে ৪.৫-৫.৫ লাখ টাকা মুনাফা করছেন অনেকে। ঘি ও দইয়ের মার্জিন ৫০% পর্যন্ত .
· সরকারি প্রণোদনা: বাংলাদেশ ব্যাংকের পুনঃঅর্থায়ন স্কিম, নারী/তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য এসএমই ঋণ সহজলভ্য .
সারমর্ম, বাংলাদেশের ডেইরী খামার এখনো ঘানি টানা অবস্থায় আছে, কিন্তু প্রক্রিয়াজাতকরণ ও টেকসই উদ্যোগের মাধ্যমে এটি একটি শিল্প-বিপ্লবের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে।
গরু, মহিষ, ছাগল, ঘোড়া ও অন্যান্য গবাদিপশুর স্বাস্থ্য রক্ষা :
কাউমেট-:Cow Mat
কেন কাউ মেট ব্যবহার করা দরকার :
- আপনি এখন “গরুর বিছানা” বা কাউ ম্যাট (Cow Mat) সম্পর্কে জানতে পারবেন , যা গরুর জন্য একটি আধুনিক ও আরামদায়ক ব্যবস্থা।
- গরুর জন্য আলাদা বিছানা বা ম্যাট ব্যবহার করার মূল লক্ষ্য হলো গরুর আরাম নিশ্চিত করা এবং উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করা। নিচে এর বিস্তারিত কারণ ও উপকারিতা তুলে ধরা হলো:
- 🐄 গরুর বিছানা বা কাউ ম্যাট ব্যবহারের প্রধান কারণ
- · আরাম ও পায়ের সুরক্ষা: শক্ত ও পিচ্ছিল কংক্রিটের মেঝেতে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকলে গরুর পায়ে ব্যথা, খোঁড়া হয়ে যাওয়া এবং অন্যান্য রোগ হতে পারে । রাবারের তৈরি নরম ম্যাট গরুর পায়ের ওপর চাপ কমায়, আরাম দেয় এবং ঘাসের মাঠের মতো অনুভূতি তৈরি করে, যা গরুর চলাফেরা বাড়ায় ।
- · পিছলে পড়া প্রতিরোধ: কংক্রিটের মেঝে ভিজে গেলে খুব পিচ্ছিল হয়ে যায়, যার ফলে গরু পড়ে গিয়ে মারাত্মক আঘাত পেতে পারে । কাউ ম্যাটের উপরিভাগ পিচ্ছিল প্রতিরোধী (Non-slip surface) হওয়ায় এটি গরুর চলাচল নিরাপদ করে তোলে এবং আঘাতের ঝুঁকি কমায় ।
- · পরিচ্ছন্নতা ও রোগ প্রতিরোধ: কাউ ম্যাট সাধারণত পানি ও আর্দ্রতা প্রতিরোধী এবং ছিদ্রহীন হয় । ফলে এতে সহজে ব্যাকটেরিয়া বা জীবাণু জন্মাতে পারে না। এটি সহজেই পানি দিয়ে পরিষ্কার করা যায়, যা খামারকে সবসময় শুকনো ও স্বাস্থ্যকর রাখতে সাহায্য করে ।
- · তাপ নিরোধক: শীতকালে ঠান্ডা কংক্রিটের মেঝে গরুর শরীরের তাপ কেড়ে নেয়, যা তাদের অসুস্থ করে তুলতে পারে । রাবার ম্যাট মেঝের ঠান্ডা ও আর্দরতা থেকে গরুকে সুরক্ষা দেয় এবং আরামদায়ক উষ্ণতা বজায় রাখতে সহায়তা করে ।
- · সরাসরি অর্থনৈতিক প্রভাব: একটি আরামদায়ক ও রোগমুক্ত গাভী বেশি দুধ দেয় এবং সুস্থ থাকে। অসুস্থ বা আহত গাভীর চিকিৎসা ও পরিচর্যায় অতিরিক্ত খরচ ও শ্রমের প্রয়োজন হয়, যা কাউ ম্যাট ব্যবহার করে এড়ানো সম্ভব ।
- ⚙️ প্রচলিত মেঝে বনাম কাউ ম্যাট: একটি তুলনা
- বিষয় কংক্রিট/মাটির মেঝে রাবার কাউ ম্যাট
- গরুর আরাম শক্ত ও অস্বস্তিকর নরম ও কুশনের মতো আরামদায়ক
- নিরাপত্তা ভিজলে পিচ্ছিল, আঘাতের ঝুঁকি বেশি পিচ্ছিল প্রতিরোধী, নিরাপদ চলাচল
- পরিচ্ছন্নতা সহজে নোংরা হয়, জীবাণুর আধার হতে পারে পরিষ্কার করা সহজ, জীবাণু প্রতিরোধী
- স্বাস্থ্য পায়ের রোগ, ঠান্ডাজনিত সমস্যা হতে পারে পায়ের ওপর চাপ কমায়, তাপ নিরোধক
- 💡 আরেকটি বিকল্প পদ্ধতি
- শুধু রাবারের ম্যাট নয়, বৈজ্ঞানিক উপায়ে গোবর ও উপকারী জীবাণু ব্যবহার করেও গরুর জন্য স্বাস্থ্যসম্মত ও আরামদায়ক বিছানা তৈরি করা যায়। এই পদ্ধতিতে গোবর ও চেনা থেকে দুর্গন্ধ হয় না এবং পরে এই বিছানা উৎকৃষ্ট জৈব সার হিসেবেও ব্যবহার করা যায়, যা খামারিদের জন্য অতিরিক্ত আয়ের উৎস হতে পারে ।
- আপনার খামারের জন্য কোন ধরনের বিছানা সবচেয়ে উপযোগী হবে, তা নির্ধারণ করতে চাইলে আরও বিস্তারিত জানাতে পারেন।
কাউমেট # Cow mat Formula:
| S/L No | Raw materials | Quantity-Kg |
| 1 | Rubber | 15 |
| 2 | Calcium Carbonate | 12 |
| 3 | EVA recycle | 60 |
| 4 | Zinc Oxide | 0.500 |
| 5 | Stearic Acid | 1 |
| 6 | Mobil oil | 2 |
| 7 | Carbon Black | 2 |
| 8 | ADC | 2.300 |
| 9 | DCP | 0.300 |
| Total | 95.100 | |
There are a lots of Formula.
কাউমেট কি কি কি কালার এর হয়?
কাউমেট সাধারণত কালো রঙের হয়।কেউ চাইলে যে কোন কালার করা যায়, দাম একটু বেশি হয়। সবুজ, নীল, আকাশি রঙের কাউমেট দেখতে চমৎকার লাগে!!
This Video help to make Cow mat:
Cow mat- কাউমেট কারখানা কোথায় পাবেন:
বাংলাদেশে কাউমেট তৈরির কারখানা বেশির ভাগ ঢাকা ও তার আশেপাশের এলাকায় অবস্থিত। ঢাকার বাইরেও বেশ কিছু কারখানা আছে।৷ বিশেষ করে ঢাকার পোস্তগোলা, জুরাইন, শ্যামপুর বিসিক, ডেমরা এলাকায় বেশির ভাগ কাউমেট কারখানা অবস্থিত।
Cow mat- কাউমেট এর জন্য যোগাযোগ করুন :
Mobile / WhatsApp : 01969304095
Sultan Salahuddin ..- কেমিস্ট

কাউমেটের পাইকারি বাজার কোথায়??
ঢাকায় বংশাল, সুরিটোলা, মালিটোলায় কাউমেট এর পাইকারি বাজার।।
কাউমেট কি কি সাইজের হয়?
কাউমেট সাধারণত দৈর্ঘ্যে> ৭০ থেকে ৮৫ ইঞ্চি, প্রস্থে ৪৫ থেকে ৫৫ ইঞ্চি এবং সিকনেস ১৫ থেকে ২০ এমএম হয়। এর কিছু কম বেশি ও হতে পারে।
কাউমেটের ওজন সাধারণত ৮ থেকে ২০ কেজি পর্যন্ত হতে পারে।
কাউমেটের দাম কত?
কাউমেটের দাম কোয়ালিটি, ওজন, সাইজের উপর নির্ভর করে। কাউমেট এর দাম ৫০০ টাকা থেকে ৩০০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। এর দাম উঠানামা করে। একেক কারখানার কাউমেট একেক রকম হয়ে থাকে।
কাউমেট নিয়ে আরো কিছু জানতে পারবেন :
WhatsApp : 01969304095
Mail: s.salahuddin1971@gmail.com

Leave a Reply